SIR: এই মুহূর্তে SIR নিয়ে সমগ্র দেশ সরগরম । এর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে। বিহারের পর, পশ্চিমবঙ্গেও ভোটার তালিকা সংশোধন করার প্রক্রিয়া চলছে।
দেশের রাজনীতি বর্তমানে এই নিয়ে উত্তাল। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই বিহারের ভোটার তালিকা থেকে ৫২ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দিয়েছে। বিরোধীরা অভিযোগ করছে যে ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে NRC করা হচ্ছে এবং নির্বাচনে বিজেপিকে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
বিরোধীরাও এই নিয়ে সংসদে প্রতিবাদে যোগ দিয়েছে। আর তাই SIR সম্পর্কে সবার মনে একটা অস্পষ্ট ধারণা তৈরী হচ্ছে। কিন্তু এই SIR আসলে কী? এতে কি উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ আছে ? আজ এই বিষয় সম্পর্কে বিস্ততৃত আলোচনা করবো।।
SIR কী? What is SIR
SIR এর পুরো নাম হলো Special Intensive Revision অর্থাৎ ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া। এর মূল উদ্দেশ্য হল তালিকা থেকে মৃত ভোটার, অবৈধ ভোটার, এবং অন্য রাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাসরত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া।
একই সঙ্গে, যোগ্য নতুন ভোটারদের নাম তালিকায় তোলা। প্রথম দফায় বিহারে এই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এবার বাংলাসহ মোট ১২টি রাজ্যে শুরু হয়েছে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া।
Special Intensive Revision বা SIR কেন প্রয়োজন?
ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রয়োজন কেন তা ব্যাখ্যা করে নির্বাচন কমিশন ২৪ জুন বলেছে যে, এর মূল উদ্দেশ্য হল তালিকা থেকে মৃত ভোটার, অবৈধ ভোটার, এবং অন্য রাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাসরত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে ভোটার তালিকায় বিপুল সংখ্যক নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছেন। অনেকের নামও বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলস্বরূপ, গত ২০ বছরে দেশের ভোটার তালিকায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে।
দেশে দ্রুত নগরায়ন ঘটেছে। জনসংখ্যার একটি বড় অংশ জীবন ও জীবিকার তাগিদে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় চলে গেছে। কিন্তু অন্য জায়গায় চলে যাওয়ার পরও অনেকেই আগের জায়গার ভোটার তালিকা থেকে তাদের নাম মুছে ফেলেননি। বরং তারা সেখানে ভোটার তালিকায় নতুন নাম যুক্ত করেছেন।
Special Intensive Revision বা SIR প্রক্রিয়া
নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, SIR-এর পুরো প্রক্রিয়াটি কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হবে:
| তারিখ | |
| গণনা পর্ব | ৪ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত |
| এমুনারেশন ফর্ম জমা | ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত |
| ক্যাটেগরি | বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ |
| খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ: | ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ |
| নোটি, হিয়ারিং ও ভেরিফিকেশন: | ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত |
| ফাইনাল ভোটার লিস্ট প্রকাশ: | ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
Date of Birth দিয়ে বয়স জানুন – বয়স ক্যালকুলেটর
পূর্ববর্তী ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া থেকে Special Intensive Revision বা SIR কেন আলাদা?
নির্বাচন কমিশন দাবি করে যে সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ তাদের ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষমতা দেয়। ভোটার নিবন্ধন বিধিমালার ২৫ ধারায় তিন ধরণের সংশোধনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে – নিবিড়ভাবে বা সংক্ষিপ্তভাবে, আংশিকভাবে নিবিড়ভাবে বা সংক্ষিপ্তভাবে এবংবিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধনের ক্ষেত্রে, প্রতি বছরের শেষে সারা দেশে ভোটার তালিকা সংশোধন করা যেতে পারে।
এছাড়া কমিশন বিধানসভা চাইলে নির্বাচনের আগেও এটি সম্পন্ন করতে পারে। কারা মারা গেছেন, কারা স্থায়ীভাবে স্থান পরিবর্তন করেছেন, কারা দুটি স্থানে নিবন্ধন করেছেন এবং কার ভোটার কার্ড সংশোধন করা প্রয়োজন সে সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করার জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুরো বিষয়টি সম্পন্ন করা হয়। খসড়া তালিকাটি এভাবে প্রকাশ করা হয়।
নিবিড় সংশোধনের আওতায়, একটি নতুন ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হয়, যা ১৯৫২ সাল থেকে ১৩ বার করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে, বুথ-স্তরের কর্মকর্তারা ঘরে ঘরে গিয়ে প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করেন। এতে বাড়ির প্রধানের স্বাক্ষর থাকে। অতিরিক্ত নথিপত্রের প্রয়োজন হয় কেবল তখনই যদি কেউ অন্য দেশের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা হন।
এই ক্ষেত্রে, বিহারের SIR একটি সম্পূর্ণ নতুন ব্যবস্থা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই ক্ষেত্রে, নাগরিকত্ব প্রমাণের দায়িত্ব ভোটারের কাঁধে। একই সাথে, কমিশন আর তাদের প্রস্তুত করা পূর্ববর্তী ভোটার তালিকার পবিত্রতা সম্মান করছে না।

সারা দেশে কি SIR থাকবে?
নির্বাচন কমিশন ২৪ জুন জারি করা নির্দেশিকায় অনুচ্ছেদ ১০-এ বলা হয়েছে যে, সংবিধানের বিধান অনুসারে, নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকার অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য দেশজুড়ে SIR শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেহেতু লোকসভা নির্বাচনের পর বছরের শেষে বিহারে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তাই সেখানে SIR পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দেশের অন্যান্য অংশে SIR কোথায় এবং কখন অনুষ্ঠিত হবে তার সময়সূচী যথাসময়ে ঘোষণা করা হবে। বিভিন্ন রাজ্যের প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তারা ইতিমধ্যেই সর্বশেষ ভোটার তালিকা জমা দেওয়া শুরু করেছেন এবং প্রশিক্ষণও শুরু হয়েছে। কমিশন যদি ধীরে ধীরে এগোয়, তাহলে পরের বছর, বিহারের পর, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হবে, তারপরে তামিলনাড়ু, আসাম, কেরালা এবং পুদুচেরিতে।
SIR নিয়ে এত বিতর্ক কেন?
বিতর্কটি সেই ১২টি নথিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে যেখানে নির্বাচন কমিশন বলেছে যে যদি আপনার জন্ম ১৯৮৭ সালের পরে হয়, তাহলে আপনাকে এবং আপনার বাবা-মাকে আপনার নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য জমা দিতে হবে। বেশিরভাগ মানুষের কাছেই সেই নথিপত্র নেই।
এছাড়া ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে ফর্ম ৬এ পূরণ এবং জমা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা নিয়েও সমস্যা রয়েছে। কারণ অনেক লোক কাজের জন্য অন্যান্য রাজ্যে থাকেন। তাদের পক্ষে স্বল্পমেয়াদী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করা সম্ভব নয়। যারা এখনও পর্যন্ত লোকসভা এবং বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন তাদের কি অবৈধ ভোটার হিসেবে গণ্য করা হবে?
SIR-এর জন্য কী কী নথি প্রয়োজন?
১) রাজ্য সরকার, কেন্দ্রীয় সরকার বা সরকারি উদ্যোগে নিযুক্ত থাকলে যেকোনো পরিচয়পত্র/পেনশন কার্ড/পেনশন নথি।
২) ভারত সরকার, স্থানীয় প্রশাসন, ব্যাংক, ডাকঘর, LIC, সরকারি উদ্যোগ কর্তৃক ১৯৮৭ সালের আগে জারি করা পরিচয়পত্র, শংসাপত্র বা অন্যান্য নথি।
৩) বৈধ জন্ম শংসাপত্র।
৪) পাসপোর্ট।
৫) মাধ্যমিক বা সরকারি স্বীকৃত বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শংসাপত্র।
৬) সংশ্লিষ্ট রাজ্যের স্থায়ী ঠিকানার নথি।
৭) বন অধিকার শংসাপত্র।
৮) ওবিসি/এসসি/এসটি বা অন্য কোনও জাতের বৈধ শংসাপত্র।
৯) এনআরসি নথি (যে রাজ্যে এটি থাকবে)
১০) রাজ্য বা স্থানীয় প্রশাসনের সাথে পারিবারিক নিবন্ধনের নথি।
১১) জমি বা বাড়ির সরকারি নথি।
১২) ২০০৩ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকলে, তার কপি।
তবে বিহারের ক্ষেত্রে, পরে নিয়ম শিথিল করা হয়েছিল। ২০০৩ সালের ভোটার তালিকায় নাম দেখানো কোনও নথি থাকলে, অন্য কিছুর প্রয়োজন নেই, কমিশন জানিয়েছে।
Date of Birth দিয়ে বয়স জানুন – বয়স ক্যালকুলেটর
যাঁদের ২০২২ সালের ভোটার লিস্টে নাম নেই, তাঁরা কী করবেন?
যাঁদের নিজের বা বাবা-মায়ের কারও ২০২২ সালের ভোটার লিস্টে নাম নেই, তাঁদের নির্বাচন কমিশন নির্দেশিত নিম্নলিখিত নথিগুলির মধ্যে যেকোনো একটি দেখাতে হবে:
- পাসপোর্ট
- আধার কার্ড
- বার্থ সার্টিফিকেট
- কেন্দ্র/রাজ্য সরকারি কর্মী বা পেনশনভোগীর পরিচয়পত্র বা পেনশন পেমেন্ট অর্ডার
- মাধ্যমিক বা উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট
- রাজ্যের দেওয়া স্থায়ী বাসিন্দা সনদ
- জাতীয় নাগরিক নিবন্ধনপত্র (NRC)
- জমি বা বাড়ির দলিল
- ওবিসি/এসটি/এসসি বা অন্য যে কোনো জাতিগত সংশাপত্র
- ব্যাংক, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা পিএসইউ-এর দেওয়া কোনো পরিচয় পত্র
হাতে যদি কোনো নথি নাও থাকে, আপনি ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে পারেন। এরপর ‘হিয়ারিং’-এ আপনাকে ডাকা হবে। সেখানে কথা বলে এবং নথি দেখে যদি কমিশন মনে করে আপনি যোগ্য ভোটার, তবে চূড়ান্ত তালিকায়
আধার কার্ড, ভোটার কার্ড এবং রেশন কার্ড বৈধ ভোটার হওয়ার প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হবে?
সোমবার, নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে বলেছে যে আধার, ভোটার বা রেশন কার্ড বৈধ ভোটার হওয়ার মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হবে না।
তারা শীর্ষ আদালতকে জানিয়েছে যে নাগরিকত্বের প্রমাণ চাওয়ার অধিকার কমিশনের রয়েছে। তবে, কমিশন আদালতকে আরও বলেছে যে নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য কোনও নথি জমা না দিলে কারও নাগরিকত্ব বাতিল করা হবে না।
বলা হয়েছিল যে তাদের একমাত্র লক্ষ্য ভোটার তালিকার পবিত্রতা রক্ষা করা।
এমুনারেশন SIR ফর্ম কিভাবে ফিলাপ করবেন ?
যদি ফর্মটিকে ভাল করে লক্ষ্য করা হয়, তা হলে দেখা যাবে, এতে তিনটে ধাপ রয়েছে।
- ফর্মের একদম শুরুতে থাকছে ভোটারের নাম ও ঠিকানা দেওয়ার জায়গা। যদিও এই জায়গাটি বিএলও-দের জন্য।
- এর পাশেই রয়েছে সিরিয়াল নম্বর, পার্ট নম্বর। তার পাশে QR Code। যেটিও বিএলও-দের সুবিধার্থে। প্রতি ভোটারের জন্য আলাদা QR Code তৈরি করা হয়েছে কমিশনের তরফে।
- তারপর থাকবে ভোটারের একটি পুরনো ছবি, যা সচিত্র ভোটার কার্ডেও রয়েছে। তার পাশে থাকবে বর্তমান ছবি দেওয়ার জায়গা।
- এরপর দ্বিতীয় ধাপ। সেখানে থাকছে আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু অংশ। প্রথমেই ভোটার দিতে তাঁর জন্ম তারিখ।
- এরপর দিতে হবে আধার নম্বর, মোবাইল নম্বর। । তবে আধার নম্বর, বাধ্যতামূলক নয়।
- অবশেষে ভোটারের বাবার নাম। সঙ্গে ভোটার কার্ডের এপিক নম্বর। একই ভাবে দিতে হবে মায়ের নাম। সঙ্গে এপিক নম্বর। কোনও ভোটারের যদি বাবা-মা আর জীবিত না থাকেন। বিশেষ করে মহিলাদের সুবিধার্থে স্বামীর নাম দেওয়ার জায়গা রেখেছে কমিশন।সঙ্গে তাঁর ভোটার কার্ড থাকলে দিতে হবে এপিক নম্বর।
- এবার আসা যাক তৃতীয় ধাপে। এটি এই ফর্মের শেষ পর্যায় বলা যেতে পারে। যেখানে থাকছে দু’টি জায়গা।
- প্রথমটিতে দিতে হবে ২০০২ সালের সংশোধিত তালিকায় থাকা নির্বাচকের নাম এবং তাঁর সঙ্গে ভোটারের সম্পর্ক।
- দ্বিতীয়টিতে দিতে হবে সেই আত্মীয়ের পরিচয়। প্রথম বাক্সে অর্থাৎ ফর্মের বাঁদিকে প্রথমে দিতে হবে ভোটারের নাম। তারপর এপিক নম্বর। এরপর দিতে হবে আত্মীয়ের নাম, বলে রাখা প্রয়োজন, এই আত্মীয়ের কোনও সংজ্ঞা দেয়নি কমিশন।
তবে সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট ভোটারের বাবা, মা কিংবা ঠাকুরদা দিকের কেউ, যাঁর ২০০২ সালের তালিকায় নাম রয়েছে, তাঁর নাম এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে। এরপর তাঁর সঙ্গে কি সম্পর্ক। সঙ্গে লিখতে হবে জেলা ও বিধানসভার নাম। দিতে হবে ওই কেন্দ্র ও পার্টের নম্বর।
- এবার এই ফর্মের ডানদিকে আসা যাক। অর্থাৎ দ্বিতীয় বাক্স। ২০০২ সালের সংশোধিত তালিকায় ভোটারের নাম না থাকায়, তৃতীয় ধাপের প্রথম অংশে তিনি যদি নিজের আত্মীয় বা বাবা-মায়ের নাম দিয়ে থাকেন। তা হলে দ্বিতীয় অংশে তাঁকে প্রদান করতে হবে সেই আত্মীয় বা তাঁর বাবা-মায়ের সমস্ত তথ্য।
- দিতে হবে নাম, এপিক নং, সম্পর্ক ইত্যাদি।
অনেক ফর্ম ফিল-আপের ক্ষেত্রে ভুল করে থাকেন। চেষ্টা করবেন এক্ষেত্রে তাতে না ঘটে। কমিশনও সেটাই বলছে।মনে সংশয় তৈরি হলে, বিএলও-র সঙ্গে যোগাযোগ করবেন ।
Important Link:
| নির্বাচন কমিশন | Click Here |
| ২০০২ সালের লিস্ট | Download |
| cVIGIL Citizen App | Download |
Freequently Ask Question-SIR 2025
Q. SIR পুরো নাম কী?
Ans. SIR এর পুরো নাম হলো Special Intensive Revision অর্থাৎ ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন
Q.কাদের নথি দেখানোর প্রয়োজন নেই?
Ans.যাঁদের বাবা-মায়ের নাম ২০২২ সালের ভোটার লিস্টে রয়েছে, তাঁদের শুধু মাত্র বার্থ সার্টিফিকেট এবং অভিভাবকের ভোটার লিস্টের নাম দেখালেই কাজ হবে।
Q.কখন বাতিল হবে আপনার ফর্ম?
Ans. এই বাতিলের ব্যাপারটাও ফর্মেই উল্লেখ করে দিয়েছে কমিশন। তারা নিয়েছে –
1. যদি আপনি দেশের নাগরিক না হন।
2. যদি আপনার দেওয়া তথ্য ভুয়ো বা মিথ্য়া হয়। তখনই বাতিল হবে ফর্ম। উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে কমিশন।